জীবনের সর্বক্ষেত্রে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে

وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا ۚ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِينٌ — سورة لقمان، الآية ٦ . قال عبدُ الله بن مسعودٍ رضي الله عنه: "الغناء يُنْبِتُ النِّفَاقَ في القلب كما يُنْبِتُ الماءُ البقلَ."

মুফতী আব্দুর রাজ্জাক কাসেমী
পড়তে লাগবে 12 মিনিট

আলহামদুলিল্লাহ, সম্মানিত দ্বীনদার মুসল্লিয়ানে কেরাম আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানী আল্লাহ তাআলা তার ফজল ও করম তার এহসান, যিনি জুমাদুল উখরা এর প্রথম জুমায় দয়া করে মায়া করে তার ঘরে মেহমান হয়ে আমাদেরকে বসবার জন্য আসবার জন্য তৌফিক দিয়েছেন। আসবার জন্য কবুল করেছেন। যিনি আমাদেরকে তার ঘরের খাস মেহমান বানিয়ে এখানে সুন্দর পরিবেশে এবাদতের নিয়তে, এই দ্বীনি পরিবেশে ফেরেশতাদের মজলিসে রহমতি বরকতি মজলিসে বসার মত মহা সুযোগ দান করলেন ওই মাওলায়ে কারিমের দরবারের শুকর আদায় করি, মহাব্বতের সাথে, অন্তরের অন্তস্থল থেকে, আলহামদুলিল্লাহ।

সম্মানিত দ্বীনি ভাইয়েরা আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে অনেক মায়া করে বানিয়েছেন। মানুষ যেন তার রবকে চিনে নেয়। এজন্যই বারবার রবের তালিম দেয়া হয়েছে, রব কি জিনিস। আল্লাহ তায়ালা যখন সকল রূহ সৃষ্টি করলেন সবগুলোকে একত্রিত করেছিলেন। অতঃপর বলেছিলেন
الست بربكم
আমি কি তোমাদের রব নই ?

রব মানে সৃষ্টিকর্তা। রব মানে মালিক। রব মানে হেফাজতকারী। রব মানে লালন পালনকারী। রব মানে রিজিকদাতা। রব মানে সব কিছু করনেওয়ালা।
আমরা তখন সবাই মুসলমানদের রুহ হোক আর অন্য কোন ধর্মের রুহ হোক, সব রূহ একসাথে জবাব দিয়েছে, بلي
কেননা! আপনিই আমাদের রব। অবশ্যই আপনি আমাদের রব।
আল্লাহ তাআলা বলেন;
وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنۢ بَنِيٓ ءَادَمَ مِن ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمْ ۖ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ ۖ قَالُوا بَلَىٰ ۛ شَهِدْنَا ۛ أَن تَقُولُوا يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَٰذَا غَٰفِلِينَ
আর স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক আদম সন্তানের পিঠ থেকে তাদের বংশধরদের বের করলেন এবং তাদের নিজেদের উপর সাক্ষী করালেন (এবং বললেন):
‘আমি কি তোমাদের রব নই?’
তারা বলল: ‘হ্যাঁ, অবশ্যই (আপনিই আমাদের রব)। আমরা সাক্ষ্য দিলাম।’ (এটি এ জন্য) যাতে কিয়ামতের দিনে তোমরা বলতে না পারো— ‘নিশ্চয়ই আমরা তো এ ব্যাপারে অজ্ঞ ছিলাম।’” سورة الأعراف – الآية 172

যদি কোন প্রশ্ন হয় নেতিবাচক শব্দ দিয়ে আমি কি তোমাদের রব নই? তখন এর জবাবে আরবের ভাগ দ্বারা অনুযায়ী আসে ‘বালা’। কেন হবেন না রব। অবশ্যই আপনি রব। এটা তাকিদ এবং মজবুতির জন্য ব্যবহার করা হয় তার মানে
قالوا بلي شهدنا
আমরা সবাই সাক্ষ্য দিচ্ছি আপনি আমাদের রব। আপনি আমাদের মালিক। আপনি আমাদের খালেক। আপনি আমাদের সবকিছু । ব্যাস ওখানে আমরা স্বীকৃতি দিয়ে আসলাম দুনিয়াতে। আল্লাহ তা’আলা যখনই এই বান্দাকে কালিমা পড়ার মত শক্তি দিয়েছেন, কথা বলার পরে তখনই কালিমা পড়তে হয়। এজন্য রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন; যার প্রথম কথা হবে_ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং শেষ কথা হবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। যদি দিল থেকে একিনের সাথে পড়ে তাহলে ওই ব্যক্তি মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতের মেহমান হয়ে যাবে, সুবহানাল্লাহ।

عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ:
«مَنْ كَانَ آخِرُ كَلَامِهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ»**

“যার শেষ কথা হবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”

__ সুনান أبي داود (হাদিস ৩১১৬)
জামে’ তিরমিজি (হাদিস ৯৭৮, অধ্যায়: الجنائز)
হাদিসটি হাসান (তিরমিজি) এবং অনেক মুহাদ্দিসের মতে সহীহ।

সর্বপ্রথম যখন কথা বলতে শিখবে, শিখবে কি ? লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ‌। আল্লাহ ছাড়া ওই মালিক যার কথা বলে আসছি তিনি ছাড়া এবাদতের উপযুক্ত কেউ নাই। এটা স্বীকার করছে তারপর এখন নামাজ পড়ার বয়স হয়ে গেছে। নামাজ পড়তে গেলে প্রথম সূরা লাগে সূরা ফাতেহা। আল্লাহ তায়ালা শিখিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন । আমি সকল প্রশংসা করছি আল্লাহর জন্য। আল্লাহ রব্বুল আলামীন যিনি সকল জগতের প্রতিপালক। সৃষ্টিকর্তা । হেফাজতকারী। নিরাপত্তাদাতা এবং মালিক তার প্রশংসা করছি।

আবার রুকুতে যাবেন , সেখানে
سبحان ربي العظيم
আমার মহান প্রভুর রবের পালনে ওয়ালার পবিত্র ঘোষণা করছি। আবার উঠছে। রুকু হতে উঠে দাঁড়ার পরে বলতে হয়
ربنا لك الحمد
এখানে আমরা করি কি , ইমাম সাহেব যখন سمع الله لمن حمده বলতে থাকেন আমরাও ربنا لك الحمد বলতে বলতে উঠি। না ربنا لك الحمد বলতে হবে রুকু হতে উঠে দাড়াবার পর। যেন একটু দেরি হয়। এটাকে تعليل اركان বলে।
ওয়াজিব এতোটুকু সময় দাঁড়ানো। রুকু হইতে উঠে অপেক্ষা করা ওয়াজিব। রাব্বানা লাকাল হামদু এতটুকু। তাহলে এখানেও রব। আবার সেজদায় যখন যাব সেজদায় গেলে ‘সুবাহানাল্লাহ রাব্বিয়াল আলা’ এখানেও রবের কথা। যে রবের স্বীকৃতি দিয়ে আসলাম ওই রবের নিয়মের উপরে তার দ্বীনের ধর্মের উপরে চলার জন্য। বারবার রবের ট্রেনিং দিতে হয়। রবের কথা স্মরণ করতে হয়। ‌

আর এটাই সর্বপ্রথম আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে। সর্ব প্রথম প্রশ্ন হবে মান রাব্বুকা? তোমার রব কে। তোমার প্রতিপালক কে। যখন আমরা প্রতিপালক বলি তখন বুঝা যায় বা এটা আমরা স্বীকার করছি আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে পালনে ওয়ালা । তিনি আমাদেরকে এমন এক জায়গায় লালন পালন করেছেন যখন আমরা মায়ের পেটে ছিলাম। সেখানে খাওয়ার জন্য কোন সুযোগ ছিল না। কান্নারও কোন সুযোগ ছিল না । হরতাল মিছিলও এর সুযোগ ছিল না । কি ভাই ছিল ? না। মায়ের পেটে যখন ছিলাম ওখানে খাদ্যমন্ত্রীও ছিল না । একজনই পাঠানে ওয়ালা, তিনি কে? আল্লাহ। সুবহানাল্লাহ।

তিনি বিনা চাহিদায়, বিনা কোন ভাঙচুরে, বিনা কোন দাবি দাওয়ায়, কোন মন্ত্রণালয়ের কাছে দরখাস্ত পেশ করা ছাড়াই আল্লাহ তাআলা সেখানে সরাসরি খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন । পেটের মধ্যে ব্যবস্থা করেছেন । যিনি ওখানে এটা করলেন তিনি আমাদের কে ভাই ? তিনি আমাদের রব । রবই আমার সব। তিনি সর্বপ্রথম এটা আমাদেরকে করেছেন ।

আবার যখন আমরা এ দুনিয়া থেকে বিদায় নিব, সর্বপ্রথম আমাদেরকে প্রশ্ন করা হবে__ তোমার রব কে? তোমার প্রতিপালক কে ? তো আমরা যার নিয়ম অনুযায়ী চলেছি, যার দীনের উপর চলেছি, যার কানুন আমরা মেনেছি তাকেই আমরা রব বলবো।

আমরা বিভিন্ন খোদায় বিশ্বাসী নই । আল্লাহকে বাদ দিয়ে কোন রব আছে? না। নাই । তাহলে রব একমাত্র একজন। ঐ রব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। আমাদের জিজ্ঞেস করা হবে তোমার রব কে?

আফসোস আজকে দুনিয়াতে আমরা রব বিভিন্নজনকে বানিয়ে নিয়েছি । দেখেন রব তো তিনিই যিনি সবকিছু করলেন। বান্দা মানবে তো ওই রবের নিয়ম কানুন তাঁর আইন আর তাঁর বিধান ।

আমরা সিজদার মধ্যে আমার মহান প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা করছি । যখন মসজিদ থেকে বের হয়ে যাই তখন উনি আর আমার রব থাকেন না। আরেক চান্দুর আইন আর কানুন মানার জন্য পাগল। তাহলে এখানে বললাম একটা আর বাইরে গিয়ে আর একটা। ভালো করে একটা কথা বুঝে নেয়া দরকার যে, আমলের মধ্যে ভাগ করা যায় না। নামাজ দুই রাকাত রোজ করলাম । আবার নামাজ আদায় করলাম না। যাকাত দিলাম তো হজ করলাম না। এটা পার্থক্য করা যায়। তবে ঈমানের ক্ষেত্রে পার্থক্য হতে পারে না। কেননা ঈমান একক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ যেমন অনিবার্য হয়। একক অদ্বিতীয়। ঈমানের মধ্যেও যদি কারো ত্রুটি আসে ঈমানকে ভাগ করা যায় না। এজন্য আমরা মানি আর না মানি। আমরা মানতে পারতেছি না, আমল করতে পারতেছি না কিন্তু বিশ্বাস কর ফরজ। মানতে হবে। যদি আমার মানার ক্ষেত্রে ত্রুটি এসেছে, আকিদা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে ত্রুটি আসলে তাহলে তার ঈমান চলে যাবে। আকিদা-বিশ্বাস ভিতরে ঠিক আছে আমল করতে পারছি না, মাঝেমধ্যে আমল করতে পারছে না , মাঝেমধ্যে নামাজ কাজা হয়। মাঝেমধ্যে নামাজের জামাত ছুটে যায়। মাঝে মাঝে একটু অলসতা ধরে। তাহলে হয়তো বলা যায় যে, আল্লাহর নবী তো বলেছেন আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা করলে তাকে মাফ করে দিবেন , মাফ করে দিতে পারেন ইচ্ছা করলে আবার একে শাস্তিও দিতে পারেন।

কিন্তু আকিদা বিশ্বাসে যদি গন্ডগোল হয়। আল্লাহ আমার রব তিনি খালেক তিনি দাতা তিনিই সবকিছু করনে ওয়ালা। তিনি আইন-কানুন ও বিধান তিনিই দিয়েছেন। এক্ষেত্রে এটা আমি মানি আর না মানি বাহ্যিকভাবে অন্তরে এটা বিশ্বাস স্থাপন করতেই হবে। এইটা যদি কারও ত্রুটি এসে যায়, না এ সেজদার কোন মূল্য আছে, না এই মসজিদে আসার কোন দাম আছে। না তাঁর হজের কোন মূল্য আছে। কোন কিছুর মূল্য নাই। তো সেখানে প্রথম নম্বর প্রশ্নই , মান রাব্বুকা__তোমার রব কে।

  • দুই নাম্বার প্রশ্ন করা হবে__ ওমা দীনুকা?
    তোমার চলার পথ কি ছিল। কোন রাস্তায় চলেছ। রাস্তাটা কি ভাই? মুসলমানদের রাস্তা দিনে ইসলাম। আমার চলার পথ, আমার বলার পথ, আমার নিয়ম কানুনের পথ আমার লেপটিন হতে নিয়ে একেবারে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পর্যন্ত সব জায়গায় আমার চলার পথ ছিল ইসলাম। কবরে ওইটা কিন্তু প্রশ্ন হবে। দুই নম্বরে‌। তোমার দীন কি ছিল? তোমার ধর্ম কি ছিল? যদি মসজিদের ইসলাম মানি মসজিদের বাইরে গিয়ে না মানি তাহলে এটা আর মানা হয় নাই। এটা আর মানা হয় নাই। অন্য আরেকজনেরটা মানছি। তাহলে যারটা মানবে তার নামই এই প্রশ্নের উত্তরে বলবে। আপনি যদি আব্রাহাম লিংকনের অনুসরণীয় হন আব্রাহাম লিংকনের নিয়মে আবদ্ধ হন তাহলে এর উত্তর আপনি সেটাই তার নাম বলবেন।

হাদিসে এসেছে;
عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّٰهِ ﷺ:
يُبْعَثُ كُلُّ عَبْدٍ عَلَى مَا مَاتَ عَلَيْهِ.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“প্রত্যেক বান্দাকে কিয়ামতের দিন সেই অবস্থায় উঠানো হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যু বরণ করেছে।”
__সহীহ মুসলিম — হাদিস নং ২৮৭৮

যারা অন্য নিয়মে তার জীবনে বাস্তবায়ন করার জন্য সব সময় কথা বলেছে। আন্দোলন করেছে। এটাই করছো ওইটাই করছ। যখনই বলবে তোমার দীন কি? তখন সে ওইটাই বলবে যাকে সে মানছে। যেই দলকে সে মানছে। আর যাদের দীন ইসলাম ছিল । আল্লাহর নবী বলেন, কেয়ামতের ময়দানে ওভাবেই তোমাদের উঠানো হবে যেভাবে তোমাদের মৃত্যুবরণ হয়েছে। আর তোমরা মৃত্যুবরণ করবে ওই জিনিসের উপরে যার উপর তোমার জীবন পরিচালিত হয়েছে। যার উপর তুমি হায়াত কাটিয়েছ। আমার হায়াত কিসের উপর কাটিয়েছি এটা প্রশ্ন হবে।

তাহলে শুরু দিয়ে রবের কথা। কবরেও রবের কথা। মাঝখানে আমরা রবকে মানি কি না মানি এটা পরীক্ষার জায়গা। আমরা রবকে মানতেছি কিনা। বাস্তবে যদি আমার জীবনের প্রত্যেকটি সেক্টরে চাই সেটা সাধারণ ধর্মীয় ক্ষেত্রে হোক, চাই প্রশাসনের সেক্টরে হোক এবং নিয়মকানুন মানার ক্ষেত্রে। বিচার মন্ত্রণালয়ের হোক এবং সেনাবাহিনী সর্বক্ষেত্রে । আল্লাহ তায়ালার হুকুম মেনে থাকি। রসুলের তরিকা মেনে থাকি। তাহলে রবকে মানলাম বলে ধরা হবে। মনে রাখতে হবে, এক জায়গায় মানবে আরেক জায়গায় মানবে না এমন যেন না হয়।
যারা আল্লাহকে মানে তাঁদের ব্যপারে আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ করো।
__‌সূরা আল-বাকারা — আয়াত ২০৮

হে ঈমানদাররা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করো। পরিপূর্ণভাবে । কিছু মানবা কিছু মানবা না এরকম যদি কর, তাহলে তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করলা।
অথচ আল্লাহ তাআলা বলেছেন ;
وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
_ সূরা আল-বাকারা — আয়াত ২০৮

শয়তানের পদাঙ্ক কোন অনুসরণ করাটাকে বলে আল্লাহর হুকুমের বাইরে যা আছে রাসূলের সুন্নতের বাইরে যা আছে সেটাকে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ বলা হয়েছে ।

আল্লাহ তাআলা আমাদের‌ সঠিকভাবে বোঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

শেয়ার করুন
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।