পাশাপাশি এই পথচলায় যারা নানাভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন, বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই “বাড়ির মার্কেট”-এর প্রতি, যেখানে ভোলা জেলার প্রাকৃতিক মধু, পাবনার অরিজিনাল গাওয়া ঘি সহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাওয়া যায়।
মার্চ ২০২৬ (রমযান ১৪৪৭ হিজরি) সংখ্যাটি ছিল একটি বিশেষ আয়োজন—“শহীদ ওসমান হাদী রহ.” স্মরণিকা। এই সংখ্যার মাধ্যমে আমরা একজন প্রিয় শহীদের স্মৃতিকে ধারণ ও প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরার ক্ষুদ্র প্রয়াস চালিয়েছি।
প্রতিবারের মতো এবারও লেখকদের অসাধারণ অংশগ্রহণ ও মানসম্মত লেখনীর মধ্য থেকে বাছাই করে চারজনকে সেরা লেখক পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। নির্বাচিত লেখকগণ হলেন—

১. খলিলুর রহমান — ছড়া
২. মামুন সিকদার — কবিতা
৩. নাহিদুল ইসলাম — স্মৃতিচারণ
৪. মুহাম্মাদ মুহিবুল্লাহ — প্রবন্ধ
তাদের লেখনীতে ফুটে উঠেছে গভীর চিন্তাধারা, আবেগ ও সময়ের প্রাসঙ্গিকতা, যা পাঠকদের হৃদয়ে বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছে।
নবীনকণ্ঠ পরিবার বিশ্বাস করে—লেখকদের উৎসাহিত করাই সাহিত্য বিকাশের অন্যতম পথ। তাই আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা এই সেরা লেখকদের মাঝে সামান্য হাদিয়া প্রদান করে থাকি।
এটি কেবল একটি উপহার নয়, বরং আমাদের আন্তরিক ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। আমরা দোয়া কামনা করি, যেন ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে লেখকদের সম্মানিত করতে পারি।
পরিশেষে, নবীনকণ্ঠের এই অগ্রযাত্রায় যারা আমাদের পাশে ছিলেন—বিশেষ করে সম্মানিত লেখকবৃন্দ—তাদের প্রতি রইলো আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের শক্তি, আমাদের অনুপ্রেরণা। সাহিত্যের এই সুন্দর যাত্রা অব্যাহত থাকুক—এই প্রত্যাশায়।