টিফিনবক্স

মনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।

যুবায়ের আহমেদ
পড়তে লাগবে 13 মিনিট

পৃথিবীকে বোঝার মতো বোধ তখনও গড়ে ওঠেনি, কিন্তু অনুভব করার মতো একটা নরম হৃদয় ছিল, যেখানে ছোটো ছোটো ঘটনাও গভীর ছাপ রেখে যেত। আমাদের বাসার কাছেই ছিল মাদ্রাসা—খুব বেশি দূরে নয়, আবার একেবারে পাশেও নয়। দৌড়ে গেলে ছয়-সাত মিনিট, আর আস্তে হাঁটলে দশ থেকে পনেরো মিনিটের পথ| সেই পথটাই যেন আমার শৈশবের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

আমি হিফজ বিভাগে পড়তাম| নিয়ম ছিল আবাসিক থাকা, তাই দিন-রাতের বেশির ভাগ সময় কাটত মাদরাসার চার দেওয়ালের ভেতরমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। কিন্তু আমার প্রতিটি দিনের সঙ্গে অদৃশ্যভাবে জড়িয়ে থাকত একজন মানুষ—আমার মামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। তিন বেলা খাবার বাসা থেকে আসত, আর সেই খাবার নিয়ে আসার দায়িত্বটা ছিল সম্পূর্ণ তাঁর কাঁধে| আব্বু কাজের জন্য দূরে থাকতেন, তাই সংসারের ভার, সন্তানের যত্ন, পড়াশোনার খোঁজখবর—সবকিছু একাই সামলাতেন তিনিমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।

আম্মু ছিলেন খুবই কঠোর একজন অভিভাবক, বিশেষ করে পড়াশোনার ক্ষেত্রেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। তিনি কখনোই চাইতেন না, আমার পড়াশোনায় সামান্যতম বিঘ্ন ঘটুকমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। নিজের কষ্ট, নিজের চাওয়া-পাওয়া—সবকিছু আড়ালে রেখে তিনি শুধু আমাদের ভালোটা ভেবেছেন| এখন বুঝি, সেই কঠোরতার ভেতরেই লুকিয়ে ছিল এক অফুরন্ত ভালোবাসা, এক নিঃ¯স্বার্থ ত্যাগের গল্পমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।

সেদিন ছিল একটি দুপুর—আকাশ যেন হঠাৎ করে রুদ্র রূপ ধারণ করেছিলমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। দুপুরের সেই সময়টাতে সাধারণত আকাশ পরিষ্কার থাকে, কিন্তু সেদিন ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীতমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। কালো মেঘে ঢেকে গিয়েছিল চারদিক, ঝোড়ো বাতাস বইছিল, আর অল্প সময়ের মধ্যেই শুরু হলো মুষলধারে বৃষ্টি| বৃষ্টি নয়, যেন আকাশ ভেঙে পানি পড়ছেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। সেইসঙ্গে বজ্রপাতের গর্জন—সব মিলিয়ে প্রকৃতি যেন এক তাণ্ডব নৃত্যে মেতে উঠেছিলমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।

মাদরাসার ভেতরে তখন খাবারের সময়মনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। বোর্ডিংয়ের ছাত্ররা একে একে বসে পড়েছে খেতে| কেউ হাসছে, কেউ গল্প করছে, কেউবা ক্ষুধার তাড়নায় দ্রুত খাবার মুখে তুলছেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। কিন্তু আমি দাঁড়িয়ে আছি এক কোণে, নিঃশব্দে| আমার চোখ বারবার চলে যাচ্ছিল গেটের দিকেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। মনে মনে ভাবছিলাম—এই ভয়ংকর ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে কি আজ আর খাবার আসবে?
একটা অদ্ভুত শূন্যতা কাজ করছিল ভেতরেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। ক্ষুধা যেমন ছিল, তার চেয়েও বেশি ছিল অপেক্ষার ভার| ছোট্ট মনটা ধীরে ধীরে হতাশ হয়ে পড়ছিল| মনে হচ্ছিল, হয়তো আজ না খেয়েই থাকতে হবেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। নিজের সঙ্গে নিজেই কথা বলছিলাম—এমন আবহাওয়ায় তো আসা সম্ভব নয়… মা নিশ্চয়ই আসবে নামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
ঠিক তখনই, হঠাৎ করে চোখে পড়ল এক দৃশ্য—যা আজও আমার স্মৃতির পাতায় অমলিন হয়ে আছেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
মাদরাসার গেটের দিকে তাকিয়ে দেখি, এক নারী বোরকা পরে, ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে লড়াই করে এগিয়ে আসছেনমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। তাঁর কাপড় ভিজে গায়ে লেপ্টে গেছে, হাতে শক্ত করে ধরা একটি টিফিনবক্সমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। বাতাসের তীব্র ঝাপটায় তিনি বারবার দুলে যাচ্ছেন, তবুও থেমে যাচ্ছেন নামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। ধীরে ধীরে যখন তিনি কাছে আসতে লাগলেন, আমার বুকের ভেতর কেমন এক আলোড়ন ˆতরি হলোমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
আমি চিনে ফেললাম—এ যে আমার মা!
মুহূর্তেই সবকিছু থমকে গেলমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। বৃষ্টির শব্দ, বাতাসের গর্জন—সব যেন দূরে সরে গেল| শুধু চোখের সামনে ভেসে উঠল সেই দৃশ্য—একজন মা, নিজের সবকিছু ভুলে সন্তানের জন্য ছুটে আসছেন|
আমি দৌড়ে নিচে নামতে যাচ্ছিলামমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। ঠিক তখনই আমার হুজুর আমাকে দেখে বললেন,
‘যুবায়ের, মায়ের এই কষ্টের কথা কোনো দিন ভুলো নামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।’

এই কথাগুলো যেন আমার হৃদয়ে গেঁথে গেলমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। আমি আর এক মুহূর্তও দেরি করলাম না| দৌড়ে নিচে নেমে গেলামমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
দেখলাম, মা ইতোমধ্যেই মাদরাসার গেট পেরিয়ে অফিস রুম পর্যন্ত চলে এসেছেনমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। তাঁর বোরকা পুরোপুরি ভিজে গেছে, চুল থেকে পানি ঝরছে, মুখে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্টমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। কিন্তু সেই ক্লান্তির মাঝেও এক অদ্ভুত তৃপ্তি ছিল—যেন সন্তানের কাছে সময়মতো পৌঁছাতে পেরেছেন, সেটাই তাঁর সবচেয়ে বড়ো আনন্দমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
তিনি টিফিনবক্সটা আমার হাতে দিলেনমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। বললেন, ‘খেয়ে নিস, দেরি হয়ে গেছেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।’

কণ্ঠে ছিল ¯^াভাবিক স্নেহ, যেন কিছুই হয়নি| অথচ আমি জানি, এই ‘কিছুই হয়নি’-র পেছনে কতটা কষ্ট, কতটা ত্যাগ লুকিয়ে আছে|
আমি নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম| ছোটো ছিলাম, তাই হয়তো সেই মুহূর্তে অনুভূতিগুলোকে ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারিনি| কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা অজানা আবেগ আমাকে গ্রাস করেছিল| মনে হচ্ছিল, আমি যেন কিছু বলতে চাই, কিন্তু শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না|
মা একবার আমার মুখের দিকে তাকালেন, হালকা হাসলেন, তারপর ধীরে ধীরে ফিরে গেলেন| আবার সেই ঝড়-বৃষ্টির মাঝেই হারিয়ে গেলেন|

আমি দাঁড়িয়ে রইলাম—হাতে টিফিনবক্স, চোখে বিস্ময়, মনে এক অদ্ভুত অনুভূতি নিয়েমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
সময় কেটে গেছেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। আজ আমি বড়ো হয়েছিমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। পড়াশোনা প্রায় শেষের পথেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। জীবনের অনেক কিছুই বুঝতে শিখেছিমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। কিন্তু সেই দিনের সেই দুপুর—সেই ঝড়-বৃষ্টি, সেই দৌড়ে আসা মা—সবকিছু আজও ঠিক আগের মতোই স্পষ্টমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।

এখন যখন সেই স্মৃতিগুলো মনে পড়ে, চোখে অশ্রু চলে আসে| তখন বুঝতে পারিনি, কিন্তু আজ বুঝি—এটাই মায়ের ভালোবাসা| এমন এক ভালোবাসা, যা কোনো হিসাব মানে না, কোনো বাধা মানে না| নিজের কষ্টকে তুচ্ছ করে সন্তানের সুখকে বড়ো করে দেখাই যেন তাদের ¯^ভাবমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।

মায়েরা সত্যিই এমনই হয়—নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, নিঃশব্দ যোদ্ধামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। তারা নিজেদের কথা ভুলে যায়, নিজেদের ¯স্বপ্ন বিসর্জন দেয়, শুধু সন্তানের মুখে একটুখানি হাসি দেখার জন্যমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
আমি জানি না, পৃথিবীর আর কোথাও এমন ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া যায় কি নামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। হয়তো পাওয়া যায় নামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। কারণ মায়ের ভালোবাসা এক অনন্য আশীর্বাদ—যা শুধু অনুভব করা যায়, কিন্তু কখনো পূর্ণভাবে প্রকাশ করা যায় নামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।

সেই দিনের সেই দুপুর আমার জীবনের এক অমূল্য শিক্ষা হয়ে আছেমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। যখনই জীবনে ক্লান্ত হই, যখনই মন ভেঙে যায়, তখনই সেই দৃশ্যটা মনে পড়ে—একজন মা, ঝড়-বৃষ্টিতে উপেক্ষা করে সন্তানের জন্য ছুটে আসছেনমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
তখন মনে হয়—আমি কতটা সৌভাগ্যবান, এমন একজন মাকে পেয়েছিমনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।
আর মনে মনে প্রতিজ্ঞা করি—মায়ের সেই কষ্ট, সেই ভালোবাসা কোনো দিন ভুলে যাব নামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো। কারণ, আমার জীবনের প্রতিটি সাফল্যের পেছনে, প্রতিটি হাসির পেছনে, নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আছেন একজন মানুষ—আমার মামনে পড়ে সেই ছোটবেলার দিনগুলো—এক অদ্ভুত নির্মলতা, সরলতা আর মায়ার আবরণে ঢাকা সময়। তখন আমার বয়স হবে দশ কিংবা এগারো।


মুন্সীগঞ্জ, সিরাজদিখান,

শেয়ার করুন
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।